ভাবসন্ধান ৭
ভাবসন্ধানযুক্ত নজরুল সঙ্গীতের বর্ণানুক্রমিক তালিকা
প্রথম পাতা। দ্বিতীয় পাতা। তৃতীয় পাতা। চতুর্থ পাতা। পঞ্চম পাতা
ষষ্ঠ পাতা
সপ্তম পাতা
- ভক্ত নরের কাছে হে নারায়ণ
- ভগবান শিব জাগো জাগো
- ভবনে আসিল অতিথি সুদূর
- ভবানী শিবানী কালী করালী মুণ্ডমালী
- ভবানী শিবানী দশপ্রহরণধারিণী
- ভবের এই পাশা খেলায়
- ভয় নাই ভয় নাই হে বিজয়ী
- ভরিয়া পরান শুনিতেছি গান
- ভাদরের ভরা নদীতে ভাসায়ে
- ভারত-লক্ষী আয় মা ফিরে
- ভারত-লক্ষী মা আয় ফিরে এ ভারতে
- ভারত শ্মশান হ'ল মা
- ভিখারিনী করে পাঠাইলি মোরে
- ভুখা আঁখি কাজ কি ঢাকি
- ভুবন-জয়ী তোরা কি হায়
- ভুবনময়ী ভবনে এসো
- ভুলিতে পারিনে তাই
- ভেসে আসে সুদূর স্মৃতির সুরভি
- ভোরে ঝিলের জলে শালুক পদ্ম তোলে কে
- ভোরের হাওয়া এলে
- মওলা আমার সালাম লহ
- মঞ্জু মধু ছন্দা নিত্যা তব সঙ্গী
- মণি-মঞ্জীর অরুণিত চরণে
- মণ্ডলী রচিয়া ব্রজের গোপীগণ
- মত্তময়ূর ছন্দে নাচে কৃষ্ণ প্রেমানন্দে
- মদনমোহন শিশু নটবর
- মদালস ময়ূর-বীণা কার বাজে
- মদিনাতে এসেছে সই নবীন সওদাগর
- মদির আঁখির সুধায় সাকী
- মধুকর মঞ্জীর বাজে
- মধুর আরতি তব বিশ্ব সভাতে
- মধুর ছন্দে নাচে আনন্দে
- মধুর নূপুর ঝুমঝুমা বাজে
- মন জপ নাম
- মন দিয়ে যে দেখি তোমায়
- মন লহ নিতি নাম
- মনে যে মোর মনের ঠাকুর
- মনের রঙ লেগেছে
- মম জনম মরণের সাথী
- মম প্রাণ-শতদল হোক প্রণামী কমল
- মম বন ভবনে ঝুলন-দোলনা দে দুলায়ে
- মম মধুর মিনতি শোন ঘন শ্যাম
- মরালী-গমনশ্রী মদ-অলস চরণে
- মরু সাহারা আজি মাতোয়ারা
- মরুর ধূলি উঠ্লো রেঙে
- মরুর ফুল ঝরিল অবেলাতে
- মসজিদে ঐ শোন রে আজান
- মসজিদেরই পার্শ্বে আমার কবর দিও ভাই
- মহুয়া- বনে-বন-পাপিয়া
- মা আমি তোর অন্ধ ছেলে
- মা এলো রে বরষ পরে
- মা এসেছে, মা এসেছে, মা এসেছে রে
- মা কবে তোরে পারব দিতে
- (মা) খড়্গ নিয়ে মাতিস রণে
- মা তোর কালো রূপের মাঝে রসের সাগর লুকিয়ে
- মা তোর চরণ-কমল ঘিরে
- মা তোর স্নেহ-প্রেম-ধন্যা
- মাকে ভাসায়ে জলে (মাকে ভাসায়ে ভাটির স্রোতে)
- মাগো চিন্ময়ী রূপ ধ'রে আয়
- মাধবী-তলে চল মাধবিকা-দল
- মুকুর ল'য়ে কে গো বসি'
- মৃত্যু নাই, নাই দুঃখ আছে শুধু প্রাণ
- মৃদুল বায়ে বকুল ছায়ে
- মৃদুল মন্দে মঞ্জুল ছন্দে
- মেঘ-বিহীন খর বৈশাখে
- মেঘলামতীর ধারা জলে করো স্নান
- মোর প্রিয়া হবে এসো রানী
- ম্লান আলোকে ফুট্লি কেন
- যাবি কে মদিনায় আয় ত্বরা করি
- যায় ঝিলমিল ঢেউ তুলে
- যাস্নে মা ফিরে, যাস্নে জননী ধরি দুটি রাঙা পায়
- রস-ঘন-শ্যাম-কল্যাণ-সুন্দর
- রসুল নামের ফুল এনেছি রে
- রিনিকি ঝিনিকি ঝিনিরিনি রিনি
- রিম্ ঝিম্ রিম্ ঝিম্ বরষা এলো
- রিমি ঝিম্ রিমি ঝিম্ ঐ নামিল দেয়া
- রিমিঝিমি রিমিঝিমি বারিধারা
- রুম্ ঝুম্ ঝুম্ ঝুম্ নূপুর বোলে
- রুম্ ঝুম্ ঝুম্ বাদল নূপুর বোলে বোলে
- রুম্ ঝুম্ রুম ঝুম্ কে বাজায় জল-ঝুম্ঝুমি
- রুমু রুমু ঝুমু রুমু ঝুমু বাজে নূপুর
- শঙ্কর অঙ্গলীনা যোগ মায়া
- শঙ্কর রূপে শ্যামল আওল
- শাওন আসিল ফিরে
- শাওন রাতে যদি স্মরণে আসে মোরে
- শান্ত হও, শিব,-বিরহ বিহ্বল
- শুকনো পাতার নূপুর পায়ে
- শুক্লা জোছনা তিথি
- শুভ্র সমুজ্জ্বল, হে চির-নির্মল
- শোন্ ও-সন্ধ্যা-মালতী, বালিকা তপতী
- শ্যামলা বরণ বাংলা মায়ের
- শ্রাবণ রাতের আধারে নিরালা
- শ্রীকৃষ্ণ রূপের করো ধ্যান
- সই পলাশ বনে রঙ ছাড়লো কে
- সই ভালো করে বিনোদ বেণী বাঁধিয়া দে
- সখি ব'লো বধুঁয়ারে নিরজনে (ব'লো বঁধুয়া রে)
- সখি বাঁধো লো বাঁধো লো ঝুলনিয়া
- সখি সে হরি কেমন বল
- সজল-কাজল-শ্যামল এসো
- সতী -হারা উদাসী ভৈরব কাঁদে
- সন্ধ্যামালতী যবে ফুলবনে ঝুরে
- সন্ধ্যার আঁধার ঘনাইল মাগো
- সবুজ শোভার ঢেউ খেলে যায়
- সাঁঝের পাখিরা ফিরিল কুলায়
- সাজিয়াছ যোগী বল কার লাগ
- সুদূর সিন্ধুর ছন্দ উতল
- সুন্দর অতিথি এসো
- সৃজন ছন্দে আনন্দে নাচো নটরাজ
- সোনার আলোর ঢেউ খেলে যায়
- স্নিগ্ধ-শ্যাম-বেণী-বর্ণা এসো মালবিকা
- স্বদেশ আমার! জানি না তোমার শুধিব মা কবে ঋণ
- স্বপনে এসেছিল মৃদু-ভাষিণী
- হংস-মিথুন ওগো যাও ক'য়ে যাও
- হাসে আকাশে শুকতারা হাসে
- হে নট- ভৈরবী-আশাবরী
- হে মহামৌনী, তব প্রশান্ত গম্ভীর বাণী শোনাবে কবে
- হে মায়াবী বলে যাও
- হে মোর স্বামী, অন্তর্যামী
- হেমন্তিকা এসো এসো